সিটি করপোরেশন এলাকায় মোটরসাইকেলের গতি ৩০ কিলোমিটার বেঁধে দেয়া হলেও, অধিকাংশ চালকই এই তথ্য জানেন না। ৩৫০ সিসির মোটরসাইকেলের অনুমোদন দিয়ে এই গতিসীমা বেঁধে দেয়াকে হাস্যকর বলছেন চালকরা। এদিকে সড়কে যাদের হাত ধরে গতিসীমার এই নিয়ম কার্যকর হবে, সেই ট্রাফিক পুলিশই এ বিষয়ে কোনো নির্দেশনা পায়নি। তাই সড়কে এটির বাস্তবায়নও নেই। বেপরোয়া গতি, সিগন্যাল উপেক্ষা করার মতো ট্রাফিক আইন ভাঙা, লেইন না মানা, ফুটপাথে মোটরসাইকেল তুলে দিয়ে পথচারীদের দুর্ভোগ সৃষ্টি করা আর অহরহ দুর্ঘটনা, সব মিলে মোটরসাইকেল চালকদের বিরুদ্ধে নাগরিকদেরই অভিযোগের অন্ত নেই। এমন বাস্তবতায় বাস ট্রাক আর প্রাইভেট কারের মতো মোটরসাইকেলের জন্যেও গতিসীমা বেঁধে দিয়েছে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়। নতুন এই আইন অনুযায়ী সারাদেশের শহর বা সিটি কর্পোরেশন এলাকায় মোটরসাইকেলের গতি হবে সর্বোচ্চ ৩০ কিলোমিটার। চালকদের দাবি এই গতি রক্ষা করা সম্ভব নয়। তাই গতি সীমার সিদ্ধান্ত পুনর্মূল্যায়নের দাবি তাদের।
চালকরা বলছেন কোনো গবেষণা ছাড়া ও চালকদের মতামত ছাড়াই এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তাদের মতে অনেক সময় কম গতির কারণেও সড়কে দুর্ঘটনার শঙ্কা থাকে। তবে সড়ক সচিব বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ের উদাহরণ বলছে বেপরোয়া ড্রাইভিং ও অতি গতির কারণেই সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতের হার বাড়ছে। ২০৩০ সালের মধ্যে এই হার অর্ধেকে নামিয়ে আনতে চায় সরকার।
সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী বলেন, আমি যদি ৪০ করি তারা কিন্তু ৫০ চালাবে। গতি আমাদের মৃত্যু ডেকে নিয়ে আসছে। যদি সব ঠিক থাকে আমরা আবার বাড়িয়ে দেবো। এদিকে, সড়কে যাদের হাত ধরে কার্যকর হবে গতিসীমা মানার এই আইন, সেই ট্রাফিক পুলিশই এ বিষয়ে এখনও কোনো নির্দেশনা পায়নি। তাই সড়কে সেটি কার্যকরের কোন কড়াকড়িও নেই।
নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata
